আসসালামু আলাইকুম

পিসিকে গতিশিল করতে SSD-র বিকল্পে নেই, বর্তমানে SSD-র দাম কমাতে এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ড থাকাতে অনেকেই SSD কিনতে আগ্রহী হচ্ছে। এক সময় SSD কে বিলাসিতা মনে করা হলেও এখন তা প্রয়োজনে রুপান্তরিত হয়েছে। দ্রুত ফাইল আদান প্রদান ও প্রোগ্রাম লোডে SSD এখন অপরিহার্য। SSD-র বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি হার্ডডিস্ক এর মত ডিস্কে ডাটা ধারণ করে না, মেমরি চিপে ডাটা ধারণ করে ফলে কম শক্তি খরচ করে দ্রুত তথ্য আদান করতে পারে, আকারেও বেশ ছোট হয়। বাজারে এখন বিভিন্ন ধরণের SSD পাওয়া যায় তবে সবার মান ও ক্ষমতা এক নয়, দামে ও বেশ পার্থক্য দেখা যায়। তাই SSD কেনার আগে কি কি বিষয় দেখে নেওয়া ভাল তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

আকৃতি
বর্তমানে সাধারণত ২ রকম SSD দেখা যায়। SATA SSD ও M.2 SSD, এদের আকৃতি ও আলাদা। SATA SSD দেখতে 2.5” হার্ডডিস্ক এর মত এবং M.2 SSD দেখতে অনেকটা wifi card এর মত। সকল প্রকার Laptop ও Desktop এ SATA SSD লাগানো যায় এতে কোন ঝামেলা হয়না। তবে বিশেষ কিছু মডেলের Laptop ও Desktop ছাড়া M.2 SSD লাগানো যায় না, তাই SSD কেনার আগে এই বিষয়েটি খোঁজ নিয়ে কিনতে হয়।

DRAM
SSD কেনার আগে এতে DRAM আছে কিনা তা দেখে নেওয়া দরকার, কিছু কম দামী SSD তে খরচ কমাতে DRAM দেওয়া হয় না ফেলে এর শক্তি এবং আয়ুকাল অনেকটাই কম হয়।

Speed
দাম ও ব্র্যান্ড ভেদে Speed কম বেশি হয়ে থাকে তাই কেনার আগে specification দেখে বছাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন Benchmark ও Youtube Review দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

Software
SSD-র পারফরমেন্স ঠিক রাখতে, সকল প্রকার তথ্য জানতে ও নিয়ন্ত্রন এ Software থাকে তাই যে সকল SSD এ ব্যবস্থা আগে সে সকল SSD বছাই করা উত্তম।

Firmware Update Tools
বিভিন্ন প্রকার Bug, Error, Speed Related Issue ঠিক করতে অনেক সময় SSD-র Firmware Update করার দরকার হয় তাই কেনার আগে Firmware Update Tools ব্যবস্থা SSD তে আছে নাকি তা দেখে কেনা ভাল।

Temperature
অত্যাধিক তাপমাত্রা SSD-র জন্য ভাল নয়, এতে SSD-র আয়ুকাল কমে এবং গতি ও কমে যায়। কিছু ব্র্যান্ড বাদে সব SSD তে Temperature sensor থাকে যা দ্বারা SSD-র তাপমাত্রা জানা যায়। খেয়াল রাখতে হবে তাপমাত্রা ৬০ডিগ্রি এর উপরে যাতে না যায়, গেল গতি কমতে শুরু করবে। SATA SSD হলে তুলনামূলক ফাঁকা যায়গাতে লাগনো ভাল। অনেক SATA SSD খরচ কমাতে প্রাষ্টিকের বক্স ব্যবহার করে ফলে গরম ছাড়াতে পারেনা তাই মেটাল বডি SATA SSD বাছাই করতে হবে। M.2 SSD হলে যে পোর্টে গরম হবার সম্ভাবনা কম সেখানে লাগাতে হবে, দরকার হলে আলাদা ভাবে M.2 Heatsink লাগানো যেতে পারে।

Lifetime
প্রতিটি SSD তেই একটি সম্ভাব্য Lifetime উল্লেখ করা থাকে যা Official site থেকে পাওয়া যায়, দাম ও ব্র্যান্ড পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। তাই সর্বাধিক MTBF দেখে কেনা উচিত।

উপরিক্ত বিষয় গুলো দাম ও ব্র্যান্ড ভেদে বেশ পার্থক্য দেখা যায়, তবে কিছু ব্র্যান্ড সাধারন ভাবে Recommend করা যেতে পারে, যে গুলোতে এই সকল বিষয় উল্লেখযোগ্য হারে বিদ্যমান যেমনঃ Samsung, Corsair, ADATA, PNY