31 C
Dhaka
Wednesday, April 14, 2021

অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদের জন্য আবেদন করুন, পেমেন্ট দিন বিকাশ / রকেটে!

- Advertisement -asus motherboards

আপনি দেশের বাইরে যদি ঘুরতে যেতে চান কিংবা পড়াশোনার কাজে দেশের বাইরে যেতে চান তাহলে অনান্য কাগজপত্রের সাথে সাথে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদের প্রয়োজন হবে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হচ্ছে একটি সত্যায়িত সার্টিফিকেট যেখানে আপনি বাংলাদেশের একজন বৈধ্য নাগরিক এবং দেশে আপনার কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই এই মর্মে সাক্ষ্য দিয়ে থাকে। আর বর্তমানে আপনি অনলাইনে ঘরে বসেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (police clearance bd) বাংলাদেশ পুলিশের একটি ডিজিটাল সেবা। আজকের পোষ্টে কিভাবে আপনি অনলাইনের মাধ্যমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করবেন সেটার বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তো চলুন ভূমিকায় আর কথা না বাড়িয়ে মূল প্রসঙ্গে চলে যাই:

ওয়েবসাইট-রেজিস্ট্রেশন

অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের যে ওয়েবসাইটি বাংলাদেশ পুলিশ দিয়ে রেখেছে সেটা হচ্ছে: http://pcc.police.gov.bd:8080/ords/f?p=500:1::::::

- Advertisement -

সাইটে প্রবেশ করেই প্রথমেই যে বিষয়টির উপর আপনার নজরে আসবে সেগুলো হচ্ছে “প্রয়োজনীয় শর্তাবলী” এবং “প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস”। এই দুটি বিষয় খুব মনোযোগ দিয়ে দেখে নিন। সকল তথ্য জেনে নেওয়ার পরে সাইটে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য তৈরি হয়ে নিন।


> অনান্য সকল অনলাইন সরকারি সেবার মতো এই সাইটেও সেবা নিতে হলে প্রথমে আপনাকে সাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন প্রসেসটি বেশ সহজ। মূল ওয়েবসাইট পেজ থেকে Registration বাটনে ক্লিক করুন।

- Advertisement -

ফেসবুক একাউন্ট খোলার মতোই এখানে আপনার নাম, ইমেইল নাম্বার, NID নাম্বার এবং এই সাইটের জন্য, একটি পাসওর্য়াড দিয়ে নিন। সর্বশেষে ক্যাপচা ঘরে একটি সহজ অংক দেওয়া থাকে, যেমন এখানে ৯+৭ দেওয়া রয়েছে আপনার বেলায় অন্য অংক দেওয়া থাকবে, সঠিক নাম্বারটি বসিয়ে Continue বাটনে ক্লিক করুন। আপনি যদি ফরেনার কিংবা শিশু (১৮ বছরের নিচে) জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে চান তাহলে NID ঘরে সাথে যে Foreign/ Child ঘরটি রয়েছে সেখানে টিক দিয়ে নিন, তাহলে আর NID ঘরে কিছু লেখা লাগবে না।

- Advertisement -

Continue বাটনে ক্লিক করার ৫ মিনিটের মধ্যে যে নাম্বার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেছেন; সে নাম্বার দিয়ে “স্ক্রিণে দেখানো সঠিক নিয়মে” 6969 নাম্বারে বার্তা পাঠিয়ে একাউন্টটি ভেরিফাইড করে নিন। উপরের স্ক্রিণশটে দেখানো কোডটি আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, আপনার ক্ষেত্রে আপনাকে নিজস্ব কোড দেওয়া হবে।

তবে, রেজিস্ট্রেশনের সময় যদি ইমেইল এড্রেস দিয়ে থাকেন তাহলে সে ইমেইল এড্রেসের মাধ্যমেও সহজে একাউন্ট ভেরিফাই করা যাবে। একাউন্ট ভেরিফিশেন করা হয়ে গেলে মূল সাইট থেকে লগ-ইন বাটনে ক্লিক করুন।

যে নাম্বার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেছেন সে নাম্বারটি দিয়ে আর সঠিক Password দিয়ে লগইন করুন।

এবার আপনাকে অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে। আবেদন করতে মুল ওয়েবসাইটের সবার নিচে Apply Now বাটনে ক্লিক করতে হবে। অবশ্যই এপ্লাই করার আগে যাবতীয় শর্ত এবং কাজগুলো ভালো মতো পড়ে নিবেন।

উপরের চিত্রে দেখতে পাচ্ছেন যে, PCC এর জন্য আপনাকে সর্বমোট ৬টি ধাপ পেরোতে হবে। তাই রিলাক্স হয়ে বসুন এবং ধীরে সুস্থে কোনো প্রকার তাড়াহুড়া না করে ধাপগুলো পার করা শুরু করুন। পারলে নিজে ধাপগুলো নিয়ে বসে পড়ুন।

প্রথমে যে উদ্দেশ্যের জন্য PCC চান সেটা সিলেক্ট করুন। এখানে Go abroad এবং Others অপশন দুটো দেওয়া রয়েছে। যারা দেশের বাইরে যাবার জন্য PCC তুলতে চান তারা Go abroad অপশনে ক্লিক করুন। আমি এখানে Go abroad অপশনের মাধ্যমে দেখিয়ে দিলাম।

Go Abroad ঘরে টিক দিলে এর নিচে একটি সাব-অপশন “Country of Travel” চলে আসবে, এই ঘরে আপনি যে দেশে ট্রাভেল করার জন্য police clearance bd সার্টিফিকেট নিতে চান সেই দেশটিকে স্ক্রল ডাউন করে সিলেক্ট করেন নিন।

দেশ সিলেক্ট করার পর “পারসোনাল ইনফরমেশন” ট্যাবটি সম্প্রসারিত হয়ে যাবে।

এবার আপনার পাসপোর্টে যা যা তথ্য দেওয়া রয়েছে সেটাই আপনাকে এখানে প্রতিটি ঘরে সঠিক তথ্যটি দিতে হবে। উল্লেখ্য যে, পাসপোর্টে যদি আপনার বিষয়ে কোনো ভুল তথ্য দেওয়া থাকে তাহলেও এখানে আপনার পাসর্পোট মোতাবেক ওই ভুল তথ্যটিই দিতে হবে।

সবার শেষে ছবি আপলোডের অপশন রয়েছে, সেখানে আপনার রিসেন্ট একটি ছবি (পাসর্পোট) আপলোড করুন। লক্ষ্য রাখবেন ছবিটির সাইট যাতে 150KB এর উপরে না যায়। সব তথ্য দেওয়া হয়ে গেলে Save & Next বাটনে ক্লিক করুন।

এবার পরবর্তীতে ধাপে আপনাকে ঠিকানা ঘরগুলো পূরণ করতে হবে। এখানে লক্ষ্য করলে দেখবেন যে তিনটি ঠিকানার ঘর রয়েছে। Emergency Contact Address, Permanent Contact Address এবং Present Address. এদের মধ্যে ইমারজেন্সি আর স্থায়ী ঠিকানাটা আপনার পাসর্পোটে যা দেওয়া রয়েছে সে হিসেবে দিতে হবে।

সকল ঠিকানাগুলো সঠিক ভাবে দিয়ে নিচের দিকে স্ক্রল করে আসুন।

সবার শেষে দেখবেন ডেলিভারি টাইপ অপশনটি রয়েছে। এখানে শুধুমাত্র By Hand অপশনটিই থাকবে মানে আপনাকে নিজে হাতে অফিসে গিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে হবে। Delivery From ঘরে কোন ধরনের অফিস থেকে Police Clearance Certificate BD তুলতে চান সেটা সিলেক্ট করুন। তারপর Save & Continue অপশনে ক্লিক করুন।

এবার আপনাকে কিছু ডকুমেন্টস সাইটে আপলোড করতে হবে। এজন্য ডকুমেন্টগুলোকে ভালো করে স্ক্যান আর সেটিংস করে নিয়ে কম্পিউটারে সেভ করে রাখুন তারপর এখানে আপলোড করে দিন। National ID অথবা Birth Certificate এদের মধ্যে যেকোনো একটিকে আপলোড করবেন।

Add বাটনে ক্লিক করলে ছোট একটি পপআপ উইন্ডো আসবে, সেখান থেকে Choose File অপশনে ক্লিক করে আপনার কম্পিউটার থেকে উক্ত ডকুমেন্টটির স্ক্যান কপিটি সিলেক্ট করে নিন। তারপর আপলোড বাটনে ক্লিক করুন।

সফল ভাবে আপলোড করতে পারলে Status ঘরে সবুজ টিক চিহ্ন চলে আসবে। সকল দরকারি ডকুমেন্ট আপলোড করা হয়ে গেলে Save & Continue বাটনে ক্লিক করুন।

এতক্ষণ ধরে যে সকল তথ্য ইনপুট করেছেন সেগুলোর সবকিছু একটি অ্যাপ্লিকেশন আকারে আপনার সামনে চলে আসবে। এখান থেকে প্রতিটি তথ্যকে আবারো ভালো করে রিভাইস দিয়ে নিন, দেখুন কোনো তথ্যে ভুল রয়েছে কিনা। স্ক্রল ডাউনলোড করে নিচের দিকে আসুন।

এখানে বলা লাল রংয়ে বলা রয়েছে, এই প্রিভিউ দেখে Final Submit ঘরে টিক দিয়ে পাঠিয়ে দিলে এটা আর ভবিষ্যৎতে সংশোধন / এডিট করা যাবে না। তাই আবারো ভালো করে অ্যাপ্লিকেশনটি দেখে নিন। এবার সবার নিচের Final Submit ঘরে টিক দিন এবং নিচের Confirm বাটনে ক্লিক করুন।

বিকাশে ফি প্রদান

আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি সাবমিট হয়ে গিয়েছে। এবার আপনাকে ফি দেওয়ার ব্যাপারে এই পর্দায় কিছু নির্দেশনা দেওয়া হবে।
১) আপনাকে অনলাইনে পেমেন্ট করতে বলা হবে।
অথবা
চালানকে প্রিন্ট করে নিয়ে পরবর্তীতে সেটাকে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ফি জমা দিতে পারবেন।
২) ব্যাংকের মাধ্যমে ফি জমা দেওয়ার পর চালানকে / ব্যাংক রশিদকে এই অপশনের মাধ্যমে আপলোড করতে পারবেন।

এখানে আমরা অনলাইনে ফি প্রদান করবো (বিকাশের মাধ্যমে) তাই প্রথম ঘরের Please Click here হাইপার লিংকে ক্লিক করবো।

লিংকে ক্লিক করলে আপনাকে “ই-চালান” ওয়েবসাইটে নিয়ে যাওয়া হবে। এখানে আপনার নামে অটোমেটিক্যালি একটি চালান পত্র তৈরি করা হবে। পত্রটি ভালো করে চেক করে নিন। নিচের দিকে স্ক্রিল করে আসুন।

নিচের দিকে দেখবেন যে বেগুনী রংয়ের “পরিশোধ” বাটন রয়েছে। সেটায় ক্লিক করুন। আলাদা একটি পপআপ উইন্ডো আসবে।

আপনাকে সোনালী ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়েতে নিয়ে আসা হবে। এখান থেকে আপনি সোনালী ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে ফি দিতে পারবেন। কার্ডের মাধ্যমে ফি দিতে পারবেন এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমেও ফি দিতে পারবেন। আমরা এখানে মোবাইল ব্যাংকিং অপশনে ক্লিক করবো।

মোবাইল ব্যাংকিং অপশনে ক্লিক করলে দেখবেন বিকাশ এবং রকেট অপশন চলে এসেছে। আপনি যেকোনো একটি মাধ্যমে ফি দিতে পারবেন। পোষ্টে বিকাশের মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে, তাই বিকাশ লেখার উপর ক্লিক করা হল। (রকেটের মাধ্যমে ফি দেওয়ার পদ্ধতিও একই রকম)

আপনাকে ফি এর পরিমাণ জানিয়ে দেওয়া হবে। লক্ষ্য রাখবেন ফি এর পরিমাণের উপর। যেমন এখানে ৫০০.৫৮ দেওয়া রয়েছে মানে ৫০০ টাকা ৫৮ পয়সা ফি দিতে হবে। এজন্য আপনার বিকাশে নূন্যতম ৫০১ টাকা থাকা লাগবে। মনে রাখবেন এজন্য আপনার ব্যক্তিগত বিকাশ একাউন্ট থাকা লাগবে, Pay with bKash অপশনে ক্লিক করুন।

বিকাশ পেমেন্ট সিস্টেমটি পপ আপ হবে। মাঝখানের সাদা ঘরে আপনার ব্যক্তিগত বিকাশ নাম্বারটি লিখুন; তারপর CONFIRM ঘরে ক্লিক করুন।

আপনার দেওয়া নাম্বারে বিকাশ থেকে একটি Verification Code যাবে, সেই কোডটি এখানে দিন। তারপর CONFIRM বাটনে ক্লিক করুন।

এবার আপনার বিকাশের পিন কোডটি এখানে দিন, তারপর CONFIRM বাটনে ক্লিক করুন।

বি:দ্র: যেহেতু আপনার বিকাশ একাউন্টের সেন্সিটিভ তথ্য এখানে একসেস করা হচ্ছে তাই পেমেন্ট পদ্ধতিটি আপনি নিজে বসে একা একা করার চেষ্টা করবেন।

বিকাশে সঠিকভাবে ফি দেওয়া হয়ে গেলে আপনাকে ই-চালান ওয়েবাসাইটে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হবে। এখানে দেখবেন যে আপনার পেমেন্ট সফল হয়েছে এই জাতীয় একটি বার্তা আসবে। আপনি এটাকে প্রিন্ট বা ডাউনলোড করতে পারবেন। আমরা এখানে ডাউনলোড করে নিবো এই চালান কে।

ডাউনলোডকৃত চালান কে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সাইটের ২ নং ঘরে থাকা লিংকে ক্লিক করে আপলোড করতে হবে।২ নং প্যারার Scan and Click here অংশের হাইপার লিংকে ক্লিক করুন।

এখানে এসে চালান আপলোড ঘরে আপনার ডাউনলোডকৃত চালানকে PDF আকারে আপলোড করতে হবে। কিন্তু লক্ষ্য করুন বাম দিকের Chalan Info ঘরে, এখানে ব্যাংক নেম ঘরে আপনাকে SONALI BANK সিলেক্ট করতে হবে। বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট করলেও আপনি মূলত সোনালী ব্যাংকে অনলাইন মাধ্যমে পেমেন্ট করেছেন। তারপর District, Branch ঘরে আপনার চালানে উল্লেখিত জেলা এবং ব্রাঞ্চ দিয়ে দিবেন।

চালানে সোনালী ব্যাংকের ঢাকা জেলার লোকাল অফিস দেওয়া রয়েছে তাই সাইটে ঢাকা ডিসট্রিক এবং লোকাল অফিস ব্রাঞ্চ দেওয়া হলো।

এবার চালানটি আপলোড করুন।

লক্ষ্য রাখবেন চালান PDF ফাইলটির সাইজ ৩০০ কিলোবাইটের মধ্যে থাকে।

আপলোড সফলভাবে করা হয়ে গেলে উপরের বাম দিকে দেখবেন সবুজ রংয়ের Action Processed বার্তা দেখাবে। সাথে আপনার রেফারেন্স, পাসর্পোট নাম্বার, নাম, মোবাইল দেখাবে। অর্থাৎ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ফি এবং ফিয়ের রশিদ আপনি সফলভাবে সাইটে আপলোড করতে পেরেছেন! Finish বাটনে ক্লিক করুন।

আপনাকে Police Clearance Bangladesh সাইটের হোম পেজে নিয়ে যাওয়া হবে। এখানে Application Status সেকশনে দেখবেন Applicaiton Submitted লেখা আছে। কিছুদিন পর থানা থেকে আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি প্রসেস করে Police Clearance সার্টিফিকেটটি তৈরি করা হবে। সার্টিফিকেট ডেলিভারী দেওয়ার জন্য রেডি হয়ে গেলে Current Status ঘরে Ready for Delivery লেখা দেখতে পাবেন। এটা আসলে আপনাকে নিজে থানায় গিয়ে সার্টিফিকেটটি সংগ্রহ করে নিয়ে আসতে হবে। আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে নিচের FAQ অংশটি দেখুন।

F.A.Q.

১) বিদেশ থেকে আবেদন করা যাবে?
= বিদেশ থেকে অনলাইনে Police Clearance সার্টিফিকেইট এর আবেদন করার সিস্টেম নেই। আপনাকে সরাসরি উক্ত দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে আপনার পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।

২) আবেদনের স্ট্যাটাস
= আবেদনের কাজ সঠিকভাবে শেষ করা হলে আপনাকে হোম পেজে আবেদনের স্ট্যাটাস সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হবে। Application Submitted লেখা আসলে বুঝবেন আপনার আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে। Pending for Payment Verification / Pending for Payment লেখা আসলে বুঝবেন যে আবেদনটির জন্য আপনি এখনো ফি প্রদান করেন নি। Application Rejected / Payment Refused / Application Closed লেখা আসলে বুঝতে হবে আপনার আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে।

৩) Payment Refused!
= এই বার্তা দেখালে বুঝতে হবে যে, আপনি আবেদন এর সাথে যে চালান কপিটি আপলোড করেছেন সেটা ভুল। ফি প্রদানের সঠিক চালান আপলোড করুন।

৪) Certificate Printed
= এটার মানে হল, আপনার সার্টিফিকেইটটি থানায় প্রিন্ট করা হয়েছে। প্রিন্ট করার পর এটায় উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জের স্বাক্ষর ও সীলমোহর যুক্ত করা হয়।

৫) Sign by OC
= এই কথা লেখা থাকলে বুঝবেন আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফেইটটি সংশ্লিষ্ট থানার ওসি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়েছে। পরবর্তী কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা / মেট্রোর উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার বরবর প্রেরণ করা হবে।

৬) Sign By DC/SP
= আপনার Police Clearance Certificate BD টি সংশ্লিষ্ট মেট্রো / জেলার উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়েছে। পরবর্তী কাজের একে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, ঢাকা বরাবর প্রেরণ করা হবে।

৭) Ready For Delivery
= আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেইটটি সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করা হয়ে গেলে সাইটে লগইন করলে কারেন্ট স্ট্যাটাসে Ready For Delivery বার্তাটি দেখতে পাবেন। এই বার্তা দেখার পর আপনাকে জেলার পুলিশ সুপার / মেট্রো পুলিশ কমিশনার অফিসে যেতে হবে।

৮) মোট কত দিন লাগে সার্টিফিকেইট হাতে পেতে?
= আবেদন সাবমিট করার পর ঢাকার মধ্যে সরকারি ৭ কার্য দিবস আর ঢাকার বাহিরে ১০ কার্য দিবসের মধ্যেই সার্টিফিকেইটটি তৈরি হয়ে যায়।

৯) পিসিসি আবেদনে পাসপোর্ট নাম্বার নিচ্ছে না।
= একটি পাসর্পোট নাম্বার দিয়ে শুধুমাত্র একবারই আবেদন করা যায়। আবেদনের কারেন্ট স্ট্যাটাস – এ Delivered কথা লেখা থাকলেই তবেই উক্ত পাসর্পোট দিয়ে আরেকটি আবেদনের কাজ করতে পারবেন।
অথবা পাসর্পোটের মেয়াদের কারণেও এই সমস্যা হতে পারে। আবেদনের সময় আপনার পাসর্পোটের মেয়াদ অন্তত তিন (০৩) মাস থাকতে হবে।

১০) Application Closed!
= আপনার আবেদনটি স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে। আপনাকে আবারো নতুন করে ট্রেজারী চালান জমা দিয়ে নতুন করে আবেদন করতে হবে।

১১) বর্তমান ঠিকানায় আবেদন করার নিয়ম
= আপনার পাসপোর্টের ইমার্জেন্সি কন্টাক্টের এড্রেসটি আপনি বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন । তবে এখানে পূর্বশর্ত হচ্ছে যে আপনার ইমার্জেন্সি কন্টাক্টের এড্রেসটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মেট্রো/জেলার অধীনে হতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট মেট্রো/জেলার পুলিশ অফিস আপনার বর্তমান ঠিকানায় আবেদন গ্রহণ করবেন না। যেমন উদাহরণস্বরূপ – আপনার পাসপোর্টের এড্রেসেটি যদি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার কোন একটি থানা হয় তাহলেই কেবল আপনি অন্য থানার অধীনে আবেদন করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আপনি বর্তমানে যে ওয়ার্ডে বসবাস করছেন সেই ওয়ার্ডের একটি কাউন্সিলর সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হবে। আবেদনের কাজ করার সময় পাসপোর্ট কপি যেখানে আপলোড করবেন সেইখানে ওয়ার্ড কাউন্সিলর সার্টিফিকেট আপলোড করার জায়গায় উক্ত সার্টিফিকেটটি আপলোড করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট মেট্রো/জেলার পুলিশ অফিস আপনার বর্তমান ঠিকানায় আবেদন গ্রহণ করবেন না।

১২) অনলাইনে আবেদন বাতিল হবার কারণসমূহ
(ক) বিভিন্ন তথ্যগত ভুল
(খ) পাসপোর্টে উল্লেখ্য নেই এমন মেট্রো/জেলার অধীন কোন থানায় আবেদন করলে
(গ) আপলোডকৃত কাগজপত্র স্পষ্টভাবে দেখা না গেলে
(ঘ) পাসপোর্ট কপিটি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরীত না থাকলে
(ঙ) অন্যের চালান তথ্য নিজের আবেদনে ব্যবহার করলে
(চ) অন্যের চালান কপি নিজের আবেদনে আপলোড করলে
(ছ) পাসপোর্টের ঠিকানার পক্ষে ওয়ার্ড কাউন্সিলর সার্টিফিকেট সাবমিট না করলে
(জ) আবেদনকারী বিদেশে অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার কপি সত্যায়িত না থাকলে
(ঝ) বাংলাদেশী নাগরিক তবে বিদেশী পাসপোর্ট হলে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাবমিট না করলে।

- Advertisement -asus graphics card
Fahad Hossain
Fahad Hossain
Fahad is a freelance writer and editor with nearly 10 years' experience in Bangla Technology Blogging who, while not spending every waking minute selling himself to websites around the world, spends his free time writing. Most of it makes no sense, but when it does, he treats each article as if it were his Magnum Opus - with varying results.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here