কমে এসেছে র‍্যামের ডিমান্ড! কিন্তু দাম কমবে কি?

বেশ কিছু রিপোর্ট অনুযায়ী এপ্রিল মাসে কম্পিউটার র‍্যামের ডিমান্ড অনেকাংশেই কমে গিয়েছে। যার কারণে জাপান সহ বেশ কিছু দেশে র‍্যাম এর ওভারসাপ্লাই দেখা যাচ্ছে। এই ডিমান্ডের এমন আচমকা ড্রপ হয়ত আগামি কয়েক মাসের মধ্যে দাম কমিয়ে ফেলতে একটি মেজর ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনারা জানেন গত দুই বছর ধরে র‍্যামের দাম বাড়তে বাড়তে মাউন্ট এভারেস্ট পার হয়ে চাঁদের কাছে যাবার পথে। সিস্টেম বিল্ডার, ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনার এবং ডাটা সেন্টারের কারণে র‍্যামের ডিমান্ড বহুগুণ বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু ডিমান্ড অনুযায়ী সাপ্লাই কম থাকায় আর স্মার্টফোন মার্কেটের কারণে র‍্যামের দাম বেড়ে যায়। তারা পাইকারি হারে র‍্যাম কেনার ফলে সাধারণ কনজুমারের কাছে র‍্যাম তেমন একটা পৌঁছাত না।

কিন্তু বেশ কিছুদিন যাবত ক্রিপ্টকারেন্সিতে অনাগ্রহ প্রকাশ ও ডাটা সেন্টারগুলো প্রায় সেট হয়ে যাবার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে র‍্যামের পাইকারি ডিমান্ড আস্তে আস্তে কমে আসতে দেখা যাচ্ছে। জাপানের অন্যতম টপ কম্পিউটার রিটেইলারের একজন অফিসার জানান,

র‍্যামের ডিমান্ড হঠাৎ করেই এপ্রিল মাসে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে কমে গেছে। এমনকি যাদের সাথে আমাদের সামান্য বিজনেস হত তারা পর্যন্তও এখন অর্ডার ড্রপ করে ফেলছেন”

আপনারা জানেন ক্রিপ্টোকারেন্সি মাইনিং এর অনাগ্রহের কারণে এখন গ্রাফিক্স কার্ডের দাম প্রায় এম এস আর পি এর কাছাকাছি চলে এসেছে। অবশ্য র‍্যাম এর ডিমান্ড কমে যাওয়া এক দিক থেকে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য খারাপ সংবাদও হতে পারে। কারণ র‍্যাম এর ওভারফ্লো যদি হয়ে থাকে তাহলে প্রোফিট মারজিন বেশি রাখার জন্য র‍্যাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের সাপ্লাই আরো কমিয়ে দিতে পারে। তবে সব কিছু স্পস্ট হয়ে উঠবে আর কয়েক মাস পর। খুব সম্ভবত নভেম্বার বা ডিসেম্বারের দিকে। তবে দাম কমবে কিনা এটি নির্ভর করছে সম্পূর্ণ ব্র্যান্ডের উপর।

দাম কমতে পারে কিনা এটি নিয়ে আপনাদের কি মতামত? আর দাম কেন বেড়েছে এটি যদি না জেনে থাকেন তাহলে জেনে নেয়ার জন্য ক্লিক করুন এখানে