MSI Funtoro Officially Launches In Bangladesh

গত ২২ থেকে ২৪ মার্চ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঢাকা মোটর শো ২০১৮।সেখানে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ করেই আবিস্কার করা হয় MSI এর লোগোসহ একটি ব্যানার। নিজের অবচেতন মনে নিজেকেই জিজ্ঞেস করলাম কম্পিউটার ব্র্যান্ড মোটর শো তে কি করে? তাই কৌতূহল বশত সেখানে যেতেই দেখা হল MSI বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড জনাব হুমায়ুন কবিরের সাথে। তাঁর কাছ থেকে কিছু আলাপের পর তথ্য পাওয়া গেল মোটর শোতে বাংলাদেশে নব্য লঞ্চ হওয়া নতুন কমার্শিয়াল ব্র্যান্ড MSI Funtoro সম্পর্কে।

A Short Introduction of MSI Funtoro

বিগত ১০ বছর ধরে MSI ব্র্যান্ড Funtoro কোম্পানির সাথে মিশে আছে। এটিকে আপনি MSI এর সেকেন্ডারি ডিভিশনও বলতে পারেন। আপনারা যারা জানেন না এটি হচ্ছে একটি ইনফোটেইনমেন্ট ও টেলিম্যাটিক সলিউশন প্রতিষ্ঠান যাদের মূল ক্ষেত্র হচ্ছে প্রধানত কমার্শিয়াল যানবাহন। ২০০৫ সালে তুরস্কে প্রতিষ্ঠিত হবার পর ২০০৭ সালে MSI এর সাথে মারজ হওয়ার কারণে এখন এই প্রতিষ্ঠান MSI Funtoro নামে পরিচিত।

২০০৭ সালে মারজ হবার পর প্রায় দুবছর গভীর রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্টের পর ২০০৯ সাল থেকেই নিয়মিত কমার্শিয়াল সাপ্লাইয়ে ইনভল্ভ হয় এই কোম্পানি। শুরুর দিকে কেবল ব্যাকসীট ডিসপ্লে সিস্টেমের উপর প্রধান ফোকাস থাকলেও ধীরে ধীরে জিপিএস ন্যাভিগেশন, ডিটিভি, সি-মস ক্যামেরা সহ বিভিন্ন কমার্শিয়াল যানবাহনের জন্য টেকনলজিক্যাল পার্ট নিয়ে কাজ শুরু করে এবং তাদের ফোকাস সরে আসে যানবাহনের অন স্ট্রীট সিকুরিটির দিকে। তাদের বানানো সিস্টেমের প্রধান ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে মার্সিডিজ-বেঞ্জ, স্কানিয়া, ভল্ভো সহ বিশ্বের নামি দামি যানবাহন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। MSI Funtoro কাজ শুরু করার মাত্র ১০ বছরের মধ্যেই টিয়ার-১ লেভেলের উৎপাদন ও রপ্তানিকারক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

Expectation In Bangladesh

মূল অপারেশন শুরু করার প্রায় ১০ বছর পর MSI Funtoro অফিসিয়ালি লঞ্চ হল বাংলাদেশে। তাদের প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জানা যায় Funtoro এর মূল লক্ষ্য এখন একটিই আর তা হল ল্যাটেস্ট সব টেকনোলজি ব্যাবহার করে মানুষের জান এবং যানবাহন দুটিকেই নিরাপদ রাখা। তারা সবসময়ই চেস্টা করেন ইউনিক সব আইডিয়াকে বাস্তবে পরিণত করার এবং সকল ধরণের টেকনিক্যাল সাপোর্টের জন্য MSI এর প্রতি তারা কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশে তারা এই ব্র্যান্ড প্রসার নিয়ে খুব আশাবাদি এবং তারা চান বাংলাদেশের মানুষরাও তাদের টেকনোলজি ব্যাবহার করে রাস্তায় যেন নিরাপদে চলাচল করতে পারে।

নিউজ ক্রেডিটঃ এম. এ. রাকিব, হার্ডওয়্যার স্পেশালিস্ট