Canon 200D বাজেটের মধ্যে অনেক দারুণ একটি ক্যামেরা। মাত্র ৩৫ হাজার টাকা বাজেটের মধ্যে Canon এর নিজস্ব ডুয়াল পিক্সেল অটোফোকাস ও ২৪.২ মেগাপিক্সেলের APSC CMOS সেন্সর ফিচার করা এই ডিএসএলআর ভিডিওগ্রাফার বিশেষ করে ভ্লগারদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ঠিক সেই ভ্লগার এবং বিগিনার প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের কথা চিন্তা করে Canon রিলিজ করল তাদের 200D এর আপগ্রেডেড ভার্শন Canon 250D ডিএসএলআর ক্যামেরা। এশিয়া এবং ইউরোপে এটি Canon 250D হিসেবে পরিচিতি পেলেও আমেরিকান রিজিওনে এটি SL3 এবং চায়নায় এটি 200D Mk. II নামকরণ করা হয়েছে।

Canon 250D! The Best Budget DSLR Gets An Upgrade

যদিও Canon 250D বাজেট 200 সিরিজের অন্তর্গত একটি ক্যামেরা, আপগ্রেডেড ভার্শন হিসেবে নতুন অনেক কিছুই দেয়া হয়েছে যা 200D তে বিদ্যমান ছিল না। 200D তে Digic 7 ইমেজ প্রসেসর থাকলেও এতে দেয়া হয়েছে লেটেস্ট Digic 8 ইমেজ প্রসেসর। এই লেটেস্ট প্রসেসর আগের জেনারেশনের প্রসেসর হতে ছবি এবং ভিডিও থেকে অনেকাংশেই নয়েজ রিমুভ করতে সহায়তা করবে। এছাড়া Canon M50 এর মত এই ক্যামেরার মধ্যেও দেয়া হয়েছে 4K রেজোল্যুশনে ভিডিও শুট করার ফিচার। তবে 4K তে শুট করলে সেন্সরের সাধারণ ক্রপের সাথে আরো 2.5X ক্রপ ফ্যাক্টর যুক্ত হয় যা একটি বিশাল নেগেটিভ দিক। এছাড়াও, 4K ভিডিও শুট মোডে ডুয়াল পিক্সেল অটোফোকাস কাজ করবে না।

আরো একটি অসাধারণ ফিচার এই ক্যামেরায় যুক্ত করা হয়েছে যা আগের কোন ডিএসএলআরে যুক্ত করা হয় নি, তা হচ্ছে Eye Detect Autofocus। Canon ক্লেইম করছে চলমান সাবজেক্টকে শুট করার সময় ডুয়াল পিক্সেল অটোফোকাসের পাশাপাশি এই Eye Detect Autofocus সাবজেক্টকে ফোকাসের মধ্যে ধরে রাখতে সাহায্য করবে। যার কারণে, যে কোন লেন্সের ফোকাস হান্ট করা হবে না। এছাড়া, এই ডিএসএলআরে দেয়া হয়েছে Canon Eos RP তে ব্যবহার করা ব্যাটারি যা রেট করা হয়েছে এক হাজার শটের জন্য। অবশ্য এই এক হাজার শট তোলা যাবে শুধু মাত্র অপটিক্যাল ভিউ ফাইন্ডার দিয়ে। যদি লাইভ ভিউ স্ক্রিন ব্যবহার করেন তাহলে এই ব্যাটারি ৩ ঘন্টার আশে পাশে ব্যাক আপ দিতে সক্ষম হবে।

বাকি ফিচারগুলো Canon এর চিরচায়িত ইতিহাস অনুযায়ীই খুঁজে পাবেন। একদম ছোট মিররলেস ক্যামেরার সাইজের বডি, ফ্লিপ আউট ভায়রি এংগেল ফুল টাইম টাচ স্ক্রিন, Canon EF & EF-S লেন্স সাপোর্ট সহ সব কিছুই। বাংলাদেশে Canon 250D এর সম্ভাব্য দাম হতে পারে শুধুমাত্র বডি ৪৮ হাজার টাকা এবং 18-55mm কিট লেন্স সহ প্রায় ৫২ হাজার টাকা। তবে, বাংলাদেশে আসলেই মূল দাম কত তা বলা যাবে।