29 C
Dhaka
Tuesday, April 16, 2024

MSI G32CQ5P 170 Hz Curved Gaming Monitor Review

- Advertisement -

আমরা রিসেন্টলি এত পরিমাণে আইপিএস মনিটর রিভিউ করেছি যে অনেকেই আমাদের উপরে ত্যাক্ত আর বিরক্ত।
কেউ কেউ বলে ভাই একটু দম নেন। একটু অন্য মনিতরের দিকেও তাকান যেগুলা দেখতে বড়, কার্ভড হইলে ভাল হয় আবার গেমিং হইলে আরও ভাল।

ভিডিও টাইটেল, থাম্ব দেখে যারা অলরেডি ক্লিক করেই ফেলেছেন তাদেরকে কথার মারপ্যাচে আর না ফালাই। মুলত আজকে আরও একটা মনিটর যেটা মাইক্রো স্টার ইন্টারন্যাশনাল বা এমএসআই থেকে পাঠানো হয়েছে। এই মনিটরটা একটা কার্ভড ৩২ ইঞ্চির ২কে ডিস্প্লে যেটা কিনা আবার ১৭০ হার্জের। এই স্পেকের মনিটরের দাম এককালে অনেক হলেও এখন এটার দাম ৪২,৫০০ টাকা।

যেহেতু কার্ভড মনিটর সো অবশ্যই এটা একটা ভিএ প্যানেল। প্যানেল হিসেবে মনিটরটা কেমন তাই যাচাই করা হবে আজকের রিভিউতে। ভিডিওতে আমি জামান সাহেব ফিরছি ইন্ট্রোর পর। 

 

- Advertisement -

প্রোডাক্ট লিংক:MSI G32CQ5P Curved Gaming Monitor – 32 Inch, 16:9 WQHD (2560×1440), 1ms Response Time, 1500R,

 

Competitior Analysis:

- Advertisement -

এবার আসা যাক competitor analysis এ । 

আমাদের competitor analysis এর আজকে মেইন ফোকাস থাকবে সে সকল মনিটর গুল যা একাধারে gaming + curved মনিটর। 

প্রথমেই এই লিস্টে আসছে বহুল পরিচিত ও ব্যবহারিত monitor 

- Advertisement -

Xiaomi MI 34 inch 144 hz monitor যার price 41,500 টাকা। তবে বলে রাখা ভাল এটি ultrawide সিরিজ এর monitor

 

দ্বিতীয়ত রয়েছে gigabyte এর তরফ থেকে আসা 

gs32qc & m32qc  যেগুলোর প্রাইস যথাক্রমে 41,600 ও 43,000 টাকা । 

দুটি মনিটর ই প্রায় সেম স্পেক্স অফার করছে তবে m32qc  এক্সট্রা connectivity features প্রদান করছে।

 

এর থেকে বাজেট আরো বাড়ালে  অর্থাৎ  49,000 টাকা তে। পাওয়া যাবে 200 hz 30 inch wfhd  মনিটর যার মডেল হচ্ছে ASUS TUF Gaming VG30VQL1A 29.5″ 2K 200Hz HDR Ultrawide Curved Monitor। এটি আসলে শাওমি এর মত ultrawide ক্যাটাগরি তে পরে।

আবার ৫০,০০০ টাকার মার্জিন ক্রস করলেই পাওয়া যাবে ASUS TUF VG32VQ1B 32 Inch WQHD 165Hz Curved Gaming Monitor যার প্রাইস ( ৫১,৫০০ টাকা)

 

এছাড়াও benq এর একটি মডেল

BenQ EX3203R Curved  32 Inch QHD 2K Gaming Monitor (53,000 ) টাকা তে যেটিতে পিক ব্রাইটনেস 400 nits এবং এটি 1800R curvature এর মনিটর তবে এটি সর্বোচ্চ 144 hz পর্যন্ত রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে।

 

Unboxing: 

Competitor analysis শেষ।

এবার শুরু করা যাক আমাদের আজকের টেস্ট সাবজেক্টের আনবক্সিং।

 

বক্স খুলে প্রথমেই দেখা যাবে এর ইউজার ম্যানুয়াল ও  দুটি ছোট প্যাকেট এ স্ক্রু যার একটি তে 3 টি স্ক্রু ও vesa mountable স্ক্রু রয়েছে এর পর সয়ে সয়ে বের হয়ে আসবে Display port cable ২টি power cable যার একটি ২ পিন ও আরেকটি থ্রি পিন adapter, একটি 64.98 ওয়াট এর পাওয়ার অ্যাডাপ্টার, এর চিকেন লেগ ফিট  বেজ প্লেট ও সর্বশেষ এর স্টান্ডটি যেখানে ক্যাবল রাউট করার জন্য cutout দেওয়া রয়েছে।

 

Assemble:

মনিটরটির assemble প্রসেস fairly ইজি but not tool-less। স্তান্ডটি মনিটর এর backside এ middle এ রেড অ্যাকসেন্ট এর রাউন্ড cutout দেওয়া রয়েছে যেখানে স্ট্যান্ড টি স্লাইড ইন করে নিলেই স্ট্যান্ড টি মনিটর এর সাথে অ্যাটাচ হয়ে যাবে।

তবে স্ট্যান্ড এর সাথে বেজ প্লেট অ্যাটাচ করতে হলে বক্স এর সাথে আসা নীলাভ অ্যাকসেন্ট এর স্ক্রু গুলো ব্যাবহার  করতে হবে গুনে গুনে ৩ টি স্ক্রু স্ক্রু – ইন  করার পর আমাদের মনিটর মাথা উচু করে দাঁড়াতে পারবে।

 

Build Quality:

মনিটর মোস্টলি প্লাস্টিক বিল্ডের হয়ে থাকে তবে অবশ্যই এখানে প্রিমিয়াম প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। মনিটরটার স্ট্যান্ড প্লাস্টিক তবে এর বেজ প্লেট টি আবার মেটালের স্মুথ ফিনিশিং দেওয়া।স্ট্যান্ডের মধ্যে কেবল রাউট করার একটা স্পেস দেয়া আছে যেটা রিসেন্টলি এমএসআই এর অনেক মনিটরেই দেখা যায়। পিছনে ক্লিন একটা লুক অভার-অল। কোন প্রকার অতিরিক্ত ডিসাইন বা কাট নাই। ডানপাশে এমএসআই গেমিং এর ড্রাগনওয়ালা একটা লোগো দেয়া আছে যেটা দেখতে খুবই স্টেলথ টাইপের। যেখানে মনিটরটা স্ট্যান্ডের সাথে কানেক্ট হয় সেখানে রেড একসেন্টের একোটা সার্কেল। ইউ নো গেমিং যেহেতু রেড থাকতেই হবে আবার এমএসআই গেমিং এর ব্র্যান্ড লোগো রেড থিমের।

যাইহোক বামদিকে মাঝে জি সিরিজ লেবেলিং করা এবং নিচেই রেড কালার এক্সেন্টে ওএসডি কন্ট্রলের জন্য জয়স্টিক বাটন। এছাড়াও উপরের দিকে লম্বা লাইন করে ভেন্টিলেশন কাট-আউট দেয়া আছে। অভার-অল পিছনে খুব ক্লিন একটা লুক দেয়া হয়েছে।

এছাড়া আইও পোর্টস হিসেবে দেয়া আছে, একটা ডিস্প্লে পোর্ট 1.2a, দুইটা HDMI 2.0b এর বাইরে অডিও পোর্ট হিসেবে আছে একটা ইয়ারফোন আউওট পোর্ট।

এখানে বলে রাখা ভাল এই মনিটরের ডিস্প্লে পোর্টে ২কে তে সর্বোচ্চ ১৭০ হার্জে যাওয়া পসিবল। HDMI পোর্টে সর্বোচ্চ ১৪৪ হার্জ পর্যন্ত যেতে পারবে এই মনিটরটা।

মনিটরটা তিন ধরনের এডযাস্টমেন্ট ফিচার সাপর্ট করে থাকে যেমন টিল্ট, সুইভেল, হাইট এডযাস্টমেন্ট তবে কোন প্রকার পিভটিং মেকানিজম এই মনিটরে সাপোর্টেড না। এছাড়া এতে ৭৫ বাই ৭৫ মিলিমিটারের ভেসা মাউন্ট সুবিধা দেয়া আছে।

এবার সামনের দিকে আসা যাক। সামনে চিনের দিকে এমএসআই এর লোগো আর তিনদিকে বেজেললেস ডিসাইন। চিনে ডানদিকে একটা ইন্ডিকেটর লাইট দেয়া আছে।

বাইরের দর্শনদারি শেষ এবার ভেতরে কি গুন দেয়া আছে তা বিচার করা যাক। 

 

Display:
মনিটরটা একটা ৩২ ইঞ্চি বা টু বি এক্সাক্ট ৩১.৫ ইঞ্চের একটা কার্ভড ভিএ প্যানেল যেটার কার্ভেচার হলো ১৫০০আর। এই কার্ভেচারের মানে হচ্ছে প্রায় দেড় মিটার ডিস্ট্যান্সে বসলে একটা বেটার ভিউ পাওয়া সম্ভব এই মনিটর থেকে।

About curvature:  https://www.msi.com/blog/1000r-vs-1500r-vs-1800r-curved-monitor#:~:text=A%201500R%20Curved%20Monitor%20completes,of%201800mm%20(1.8%20meters).  

২কে বা WQHD বা ২৫৬০ বাই ১৪৪০ পিক্সেল। পিক্সল পিচ দেয়া আছে হরাইজেনটালি 0.2724 এবং ভার্টিকালি 0.2724
মুলত পিক্সেল পিচ হলো ইন্ডিভিজুয়াল এলইডি গুলোর মধ্যে ডিস্ট্যান্সকে বুঝায়। ফোনের ক্ষেত্রে আমরা ইউজ করে থাকি পিপি-আই যেটা পিক্সেল পার ইঞ্চ। কিন্তু মনিটরের ক্ষেত্রে মোস্টলি পিক্সেল পিচ ইউজ করা হয়ে থাকে। দুইটা শুনতে একই হলেও একটু ডিফারেন্স আছে।

যাইহোক, স্পেকলিস্টে আসি মনিটরটার এসপেক্ট রেশিও ১৬ঃ৯ যেটা স্ট্যান্ডার্ড। যেহেতু এটা একটা ভিএ প্যানেল সুতরাং এটার কন্ট্রাস্ট রেশিও ৩০০০ঃ১। তবে ডাইনামিক কন্ট্রাস্ট রেশিও হতে পারে 100000000:1। মনিতরটা সর্বোচ্চ ব্রাইটনেস দিতে পারে ২৫০ নিটসের মত। তবে অবাক  করা ব্যাপার হচ্ছে মনিটরটা HDR Ready যেটা আসলে থাকা বা না থাকার মতই ব্যাপার কারন একট ২৫০ নিটসের মনিটর থেকে এইচডিআর এক্সপেরিইয়েন্স এক্সপেক্ট করার কোন মানেই হয় না। যাইহোক ইট ইস হোয়াট ইট ইস।

মনিটরটার রেস্পন্স টাইম দাবি করা হচ্ছে ১ মিলিসেকেন্ড MPRT এর হিসেবে। যেহেতু এটা একটা গেমিং মনিটর সো MPRT তে রেস্পন্স টাইম বলা হচ্ছে। মনিটরটা এডাপটিভ সিংক সাপর্ট করে থাকছে। 

কালার হিসেবে এমএসআই দাবি করছে 115% sRGB, 91% DCIP3, 88% AdobeRGB এক্ষেত্রে বলে রাখা ভাল এই পার্সেন্টেজ ভ্যালু গুলো CIE1976 এর কালার স্ট্যান্ডার্ডে করা। মোস্টলি মনিটরের কালার গ্যামুটের আউটপুট আমরা CIE1931 এর হিসেবে করে থাকি। যদিও CIE1976 আরও বেশি ইনফরমেশন দিয়ে থাকে তবে এই দুইটা কালার স্পেসের সাথে তুলনা করতে গেলে CIE1976 এর ভ্যালু বেশি আসবে। এটা যাস্ট একটা মার্কেটিং স্ট্রাটেজি বেশি ভ্যালু দেখানোটা।

 

লিংকঃ https://www.nvcuk.com/technical-support/view/measuring-chromaticity-shift-%E2%80%93-cie1931-v-cie-1976-19

যাইহোক, আউট অফ দ্যা বক্স এজ এ ভিএ প্যানেল এর কালার দেখতে একটূ ওয়াশড আউট হবে এটাই স্বাভাবিক। তবে স্যাচুরেশন, ব্রাইটনেস, হিউ, গামা এসব টুইক করলে কিছুটা বেটার কালার পাওয়া সম্ভব। আউট অফ দ্যা বক্স এটা ইউজার মুডেই আসে। ওভার-অল এর কালারের ব্যাপারে বলতে গেলে বলতে হয় একটু ডাল(Dull) টাইপের।

তবে মনিটরটার মেইন কী পয়েন্ট এর কার্ভেচার। এর কার্ভেচার ১৫০০আর। সুতরাং দেড় মিটার ডিস্টেন্সে বসলে একটা বেটার ভিউ পাবেন ওভার-অল যেটা আগেই বলছি।

কার্ভড মনিটরের একটাই সমস্যা হলো এর থেকে বেস্ট ভিউটা পেতে হলে অবশ্যই মাঝ বরাবর বসতে হবে এবং ভিউইং এংগেল চেঞ্জ হয়ে গেলেই কালার ভাল পরিমান শিফট হবে। ব্যাট হ্যা এত বড় মনিটরে একদম সেন্টারে বসে গেমিং করলে একটা বেটার ফিল পাওয়া যায় এটা ডিনাই করার কোন সুযোগ নাই। সো বলতেই হয় সাইজ এবং কার্ভেচারের দিক থেকে এটা ভাল একটা কার্ভেচার। 

 

TESTING:
এবার টেস্টিং নিয়ে কথা বলা যাক, স্পাইডার টেস্টে মনিটরটি ১০০% sRGB, 87% AdobeRGB, 91% DCI P3, 82% NTSC কালার দিয়ে থাকে। মনিটরটা খুবই ভাল কালার পার্ফরম করলেও স্পাইডার যেটা দেখে সেটা আমরা দেখি না। রিয়াল লাইফে আমরা ওভার-অল আমরা ওয়াশড আউট টাইপের ইমেজই দেখতে পাই। কালার নিয়ে আগেও কথা বলেছি।

এর বাইরে মনিটরটা ইউজার মুডে সর্বোচ্চ ব্রাইটনেস দিতে পেরেছে ১৭৩ নিটসের মত। যেখানে এর কন্ট্রাস্ট রেশিও ছিল ১৮৬০ঃ১। মুলত স্পাইডার মনিটরের সেন্টারের ব্রাইটনেস টেস্ট করে সো এটাই সর্বোচ্চ স্কুইজ করতে পেরেছে এই মনিটরটা।

এছাড়াও মনিটরটার এভারেজ ডেল্টা-ই ভ্যালু ছিলো ২.২৫ যেটা কিনা একটু বেশি। তবে ভিএ প্যানেল হিসেবে এটা ঠিকই আছে বলা যায়।

এবার আসা যাক ঘোস্টিং টেস্টে।  নরমাল মুডেই আমরা ইউএফও টেস্টে একটা ব্ল্যাক ট্রেইল দেখতে পাচ্ছিলাম কিছুটা যেটা ডার্কার ইমেজ অবস্থায় আরও বেশি ভিসিবল হয়। তবে এই ঘোস্টিং এর পরিমান মারাত্নক তা না। এছাড়া MPRT সেটিংসটা অন করলে একই ধরনের ঘোস্টিং দেখা যায়।
ভিএ প্যানেলগুলার রেস্পন্স টাইম আইপিএস বা ভিএ প্যানেলের তুলনায় স্লোয়ার হয়ে থাকে। তাই এইসকল মনিটরে আলাদা করে রেস্পন্স টাইম সেটিংস থাকা মানে হচ্ছে এর ঘোস্টিং এর সাথে সাক্ষাত করা।
প্রথমে এসকল ঘোস্টিং অপশন চালু না করতে চাইলেও পরে ফাস্ট সেটিংসে ভাল আকারের ঘোস্টিং দেখা যায়। এবং ফাস্টেস্ট রেস্পন্স টাইম সেটিংসে এই ঘোস্টিং আরও মারাত্নক হতে থাকে। সো এই ২ টা রেস্পন্স টাইম সেটিংস এভয়েড করার পরামর্শ রইলো। নরমাল মুডে বা MPRT অন থাকলেই লেস ঘোস্টিং ওয়ালা একটা এক্সপেরিয়েন্স পাবেন।

এছাড়াও ব্যাকলাইট ব্লিড টেস্ট করি আমরা এবং এই টেস্টে আমাদের ইউনিটে ভাল পরিমাণে ব্যাকলাইট ব্লিড ছিলো মনিটরের এজের দিকে। কিছু জায়গায় গ্লোও ছিলো। 

 

OSD Settings:
MSI এর ওএসডি সেটিংস নিয়ে আমরা এর আগের ভিডিওতেও ভাল বলেছিলাম এখানেও ব্যাতিক্রম না।
দরকারি যাবতীয় যা যা দরকার একটা মনিটর এর ওএসডি সেটিংস এ তার পাশাপাশি হরেক রকমের ফিচারস ঠাসা রয়েছে এই ui এ।

 

Game mode এ রয়েছে (user,fps,racing,rts,rpg) profile যেখানে ইউজার mode টি পেরফেরাবল থাকবে।

এরপর রয়েছে নাইট ভিশন যেটি dcr এর fancy version বলা যেতে পারে এখানে মূলত দরকার scene গুল তেও যেনো ইন detailed সব কিছু দেখা যায় তার নিশ্চয়তা দেয়, এটি ( normal,strong,strongest,a.i) 4 টি mode এ শিফট করতে পারে।

এর পর রয়েছে রেসপন্স টাইম যা ( নরমাল, fast, ফাস্টএস্ট mode এ শিফট করা যায়) এছাড়াও আছে mprt,refresh rate, alarm clock screen assistance ও adaptive  sync এর মত ফিচারস।

 

ওএসডি settings এর professional part এ গেলে pro mode এ আরো কোয়েক টি কলোর প্রোফাইল রয়েছে যেমন (user,anti-blue,movie, office,srgb) এছাড়া এতে image enhancer নামক অপশন রয়েছে যা মূলত ডিসপ্লে শার্পনেস বাড়িয়ে দেয়।

এরপর ইমেজ সেকশন এ মনিটর টির color টাইপ চেঞ্জ করা যায় ওয়ার্ম, নরমাল,কুল ও নিজের মতো কাস্টোমাইজ করার সুযোগ রয়েছে।

এছাড়াও এতে pip (picture in picture mode), navigation key, osd timeout & position চেঞ্জ এর মত এক্সটার ফিচারস রয়েছে পাশাপাশি মনিটর টি msi ডিসপ্লে kit সফটওয়্যার দিয়ে ইউজাররা tweak করে নিতে পারবে।

 

 

Pros:

প্রোস হিসেবে প্রথমেই বলতে হয় প্রাইসের ভিত্তিতে এই মনিটরটার সাইজ। মুলত ২কে ডিস্প্লে আর ৩২ ইঞ্চি হিসেবে ঠিকই আছে। অনেকে বলতে পারেন ৩২ইঞ্চিতে পিক্সেল বুঝা যাবে কিনা। আমাদের স্টুডিওতে এই মনিটরটা আছে প্রায় মাসখানেক হবে। এটা দিয়ে অনেক কাজই করা হয়েছে তেমন পিক্সেল ফিল আমরা করতে পারি নি তবে আশেপাশি যদি অপেক্ষাকৃত ছোট সাইজের ডিস্প্লে যেটা ২কে রেসুলেশনের থেকে থাকে তখন এটার পিক্সেল কাউন্ট ফিল হতে শুরু হতে পারে। ব্যাপারটা সাবজেক্টিভ।

এছাড়া এই মনিটরটার ১৭০ হার্জ সাপোর্ট।

আরেকটা পয়েন্ট হচ্ছে এর কার্ভেচার। অনেকেই কার্ভড প্যানেল নিতে চান এবং এই ধরনের মনিটর হতে পারে সেক্ষেত্রে ভাল অপশন। সিংগেল প্লেয়ার গেমগুলো এই ধররনের কার্ভড মনিটরে খেললে একটা বেটার ইমারসিভ ফিল পাবার কথা। ১৫০০-আর কার্ভেচার বলতে গেলে যথেস্ট কার্ভ এটা।

এর বাইরে এর ওএসডি আর সফটওয়ার সাপোর্ট নিয়ে কথা বলতে গেলে এই ২ টা ব্যাপার অল-ওয়েজ MSI এর মনিটরের একটা পসিটিভ সাইড।

গেমিং প্যানেল হিসেবে এটা ঠিকঠাকই বলা চলে। যতটুক সার্ভ করার ততটুকই সার্ভ করছে এই মনিটরটা।

 

Cons:
প্রথমেই যে পয়েন্টটা না বললেই না এর HDR রেডি। একটা ২৫০ নিটস মনিটরের জন্য এই ফিচার বলতে গেলে অকাজের।
ব্রাইটনেসের প্রসঙ্গ তুলতেই বলতে হয় এটার ব্রাইটনেস যথেস্ট কম। আরও বেশি হলে ভাল হতো।

যেহেতু এটা একটা গেমিং প্যানেল ডিফারেন্ট রেস্পন্স টাইম সেটংসে এর মনিটরটার ভাল রকমের ঘোস্টিং ধরা পড়তে পারে। এটা সত্য যে ভিএ প্যানেলগুলার রেস্পন্স টাইম স্লো হয়ে থাকে টিএন বা আইপিএস প্যানেলের তুলনায়। সে হিসেবে এই ঘোস্টিং থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
আবার কার্ভড মনিটর ভিএ ছাড়া হয় না এই মুহুর্তে। 


এছাড়াও এর কালারটা আরেকটু পাঞ্ছি হলে ভাল হতো। 

 

এছাড়া এর আরও একটি cons হিসেবে  বলা যায় এটি ভাল  heat হয় এর নিচের চিন এর দিক এ। 

 

Verdict:
সবশেষে বলতে হয় ভিএ প্যানেল হিসেবে এটা থেকে এক্সেপশনাল কালার এক্সপেক্ট করাটা ভুল বাট যতটুক আছে সেটা চলনসয়ী বলা যায়। তবে আপনি কালার নিয়ে খুতখুতে হলে এটাকে এভয়েড করতে পারেন।

এই মনিটর মুলত তাদের জন্যই যারা স্টোরি বেসজড গেম খেলবেন, বা রেসিং টাইপের গেম খেলবেন নতুন নতুন রেসিং হুইল কিনেছেন সাথে একটা ২কে মনিটর হলে ভাল হয় তাদের জন্য। এছাড়া এর বাইরে তেমন কোন ইউসেজ ক্রাইটেরিয়া দেখছি না আমরা।

এই রেঞ্জে অনেকগুলা ফ্ল্যাট মনিটর অপশন রয়েছে। সেসব হয়তো আপনার ইউসেজ ক্রাইটেরিয়ার সাথে বেটার স্যুট করতে পারে।

যাইহোক ডিসিশন ইজ ইউরস। দেখা হবে পরের কোন ভিডিওতে।  

- Advertisement -

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here