AMD এর লাস্ট গ্রাফিক্স কার্ডটি হচ্ছে AMD Radeon RX 590। কিন্তু এটি ছিল এক প্রকারে রিফ্রেশের রিফ্রেশ। অর্থাৎ ২০১৬ সালে রিলিজ হওয়া RX 480 এর রিফ্রেশ হিসেবে ২০১৭ সালে রিলিজ পায় RX 580। সেই কার্ডের রিফ্রেশ বা সামান্য আপগ্রেডেড ভার্শন হিসেবে বাজারে আসে RX 590। কিন্তু রিফ্রেশ বের হলেও সেগুলোকে একেবারে নেক্সট জেনারেশন হিসেবে গণ্য করা যায় না। আমরা আশা করেই আসছিলাম CES 2019 এ AMD নেক্সট জেনারেশনের জিপিউ এনাউন্স করবে। সেই আশা আংশিক পূর্ণ করে কি নোট সেশনে প্রেসিডেন্ট ও সিইও লিসা সু এনাউন্স করল বিশ্বের প্রথম ৭ ন্যানোমিটার Radeon VII জিপিউ।

AMD Strikes Back With 7nm

AMD সবে মাত্র তাদের একেবারে হাই এন্থুজিয়াস্ট লেভেলের জিপিউ এনাউন্স করলেও ইতিমধ্যে তাদের মেইন কম্পিটিশন এনভিডিয়া নেক্সট জেনারেশনের ফুল লাইন আপ পাবলিশ করে ফেলেছে। 1080p আলট্রা সেটিংস গেমিং অরিয়েন্টেড RTX 2060 থেকে শুরু করে হাই প্রিমিয়াম এন্থুজিয়াস্ট প্রফেশনাল লেভেলের জন্য Titan RTX ইতিমধ্যেই তারা রিলিজ করে ফেলছে। কিন্তু এনভিডিয়ার RTX সিরিজের জিপিউ চলছে ১০ ন্যানোমিটার সিপিউ আর্কিটেকচারে। সুতরাং, দুনিয়ার প্রথম ৭ ন্যানোমিটার প্রসেসর আর্কিটেকচারে তৈরি করা এই জিপিউ কিছুটা স্টেপ আপ বলেই মনে করা হচ্ছে।

16GB HBM2 Memory, 4K 60 fps Gaming Under 700 USD

Radeon VII এর এম এস আরপি AMD নির্ধারণ করেছে ৭০০ ইউএস ডলার। এই দাম শুনে অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন তাহলে আর সাধারণ গেমারদের জন্য এই জিপিউ রিলিজ করা হয় নি। কীনোটের সময় লিসা সুও ঠিক এটি বলেছিলেন। এই জিপিউটি রিলিজ করা হচ্ছে ঠিক তাদের জন্য যারা একেবারেই এন্থুজিয়াস্ট লেভেলের গেমার আবার তার সাথে সাথে প্রফেশনাল এডিটিং, রেন্ডারিং সহ হেভি লোডের কাজ করে থাকেন।

এই কার্ডের ডিরেক্ট কম্পিটিটর হচ্ছে এনভিডিয়ার RTX 2080 জিপিউ যার এমএসআরপি হচ্ছে ৮০০ ডলার। কিন্তু তাতে রয়েছে ৮ জিবি GDDR6 মেমোরি যার বদলে এই জিপিউতে পাওয়া যাবে ১৬ জিবি HBM2 মেমোরি। এমনকি এ এম ডির CES কভারেজে দেখানো হয় প্রায় সব গেমেই এই জিপিউ RTX 2080 এর সমান অথবা তার থেকে বেশি পারফর্ম করছে। উল্লেখ্য, এ এম ডির ভাষ্যমতে, সকল গেম টেস্ট করা হয়েছে 4K Ultra Graphics সেটিংসে।

Radeon VII এর ফুল স্পেসিফিকেশন জানার জন্য ক্লিক করুন

Radeon VII ওয়ার্ল্ড ওয়াইড এভেল্যাবল হবে আগামি মাস অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির ৯ তারিখ। তবে বাংলাদেশে সাধারণত এ এম ডির রেফারেন্স মডেল আসে না। বরং কাস্টম কার্ডগুলোই আমরা দেখতে পাই। সেই হিসেবে সেগুলো বাংলাদেশে আসতে আসতে প্রায় এপ্রিল বা মে মাসের কাছকাছি লেগে যেতে পারে। আর দামও থাকতে পারে ৭২ থেকে ৭৫ হাজার টাকার মধ্যে।