A12X Bionic! The Most Powerful Apple Chipset Ever

এই সেপ্টেম্বরে নতুন আইফোন বাজারে ছাড়ার মাধ্যমে অ্যাপল স্মার্টফোন প্রসেসিং সেক্টরে এক ধাপ এগিয়ে রয়েছে। কারণ অ্যাপল এখন বিশ্বের অন্যতম প্রথম কোম্পানি যারা তাদের স্মার্টফোনে 7nm প্রসেসর ব্যবহার করেছে। এ বছরের আইফোনগুলোতে (iPhone XS, XS Max এবং XR) ব্যবহার করা হয়েছে অ্যাপলের A12 চিপ। এটিতে রয়েছে ৭ বিলিয়ন টান্সসিসটর, ৬ কোর বিশিষ্ট প্রসেসর এবং একদম নতুন অক্টার কোর Neural Engine । আর এ বছরের নতুন iPad Pro লঞ্চ ইভেন্টে অ্যাপল তাদের A12X Bionic চিপকে এনাউন্স করেছে। কি কি থাকছে নতুন এই চিপসেটে চলুন এক নজরে দেখে নেই।

A12 চিপসেটের থেকে আরো আপগ্রেড করেই অ্যাপল তাদের A12X Bionic চিপসেটটি বানিয়েছে। A12 এর থেকে ৩ বিলিয়ন বেশি টান্সসিসটর রয়েছে এই নতুন উন্নত মানের চিপসেটে। অর্থাৎ, মোট ১০ বিলিয়ন টান্সসিসটার পাবেন এতে। আরো রয়েছে ২টি বেশি কোরযুক্ত প্রসেসর অর্থাৎ এই চিপসেটে পাচ্ছেন আট কোরের প্রসেসর।

A12X প্রসেসরটিকে বিল্ড করা হয়েছে অ্যাপলের ফিউশন আর্কিটেকচারে। অ্যাপল বলছে যে A10X চিপসেটের থেকে “বেশ উচ্চতর” পারফরমেন্স আমরা পাবো A12X প্রসেসরে। তারা বলছে যে A10X এর থেকে A12X চিপসেটে সিঙ্গেল কোর সিপিইউতে ৩৫% দ্রুততর পারফরমেন্স এবং মাল্টিকোর সিপিইউতে ৯০% দ্রুততর পারফরমেন্স পাবো।

এই সমস্ত দাবী ছাড়াও অ্যাপল বলছে যে বর্তমানে বাজারে যতগুলো পোর্টেবল পিসি রয়েছে তাদের ৯২% থেকে এই চিপসেটটি অধিক পারফরমেন্স দিতে পারবে। এমনকি তারা নিম্ন পাওয়ারের কোর আই ৭ প্রসেসরকেও মেনশন করেছে যে A12X চিপসেটের পারফরমেন্স নিম্ন পাওয়ারের কোর আই ৭ প্রসেসরের থেকেও বেশি পারফরমেন্স আমাদেরকে দিতে পারবে। এছাড়াও নতুন আইপ্যাডের সকল চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে রাখার জন্য এই চিপসেটে রয়েছে নতুন ৭ কোর বিশিস্ট কাস্টম জিপিইউ।

অ্যাপলের ভাষ্যমতে এই গ্রাফিক্স ইউনিটটি আমাদেরকে A10X এর থেকে দ্বিগুণ পারফরমেন্স দেবে। অন্যদিকে এর পারফরমেন্স কনট্রোলারকেও অ্যাপল আপগ্রেড করেছে, এর মাধ্যমে প্রয়োজনের সময় একই সাথে ৮টি কোরই কাজ করবে যার মাধ্যমে পারফরমেন্স বুস্ট পাওয়া যাবে নতুন আইপ্যাডে। আর A12 চিপসেটের 5TOPS Neural Engine তো থাকছেই। বাজারে নতুন আইপ্যাড প্রো চলে আসার পরেই আমরা A12X চিপসেটের ব্যাপারে আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবো। ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন।

সময় পেলে পড়ে আসতে পারেন নতুন MacBook Air লঞ্চের খবর।

Fahad is a freelance games journalist who, while not spending every waking minute selling himself to websites around the world, spends his free time writing. Most of it makes no sense, but when it does, he treats each article as if it were his Magnum Opus - with varying results.