19 C
Dhaka
Wednesday, February 8, 2023

২০১৮ সালের সেরা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস!

- Advertisement -

প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৩০ হাজারের মতো নতুন নতুন অ্যাপস প্লেস্টোরে এবং প্লেস্টোরের বাইরে রিলিজ পেয়ে থাকে। এদের মধ্যে গেমস, লাইফস্টাইল, টুলস, হ্যাকিং ইত্যাদি সবধরণেরই অ্যাপস রয়েছে। কিন্তু এত এত পরিমাণের অ্যাপস থেকে আমরা মাত্র হাতে গোনা কয়েকটিকে ব্যবহার করে থাকি। আমাদের মধ্যে হেভি ইউজাররাও তাদের স্মার্টফোনে ৫০টির মতো অ্যাপস ব্যবহার করে থাকেন (সিস্টেম অ্যাপস ছাড়া)। আর আজ আমি নিয়ে এলাম গত বছরের সেরা কয়েকটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস নিয়ে। পোষ্টটি আরো আগে করার ইচ্ছে ছিলো কিন্তু সময় ম্যানেজ করে উঠতে পারিনি বিধায় আগে করতে পারিনি। যাই হোক তো চলুন নতুন বছর শুরু করি গত বছরের সেরা কয়েকটি অ্যাপসগুলো দিয়ে:

Fluid Navigation Gestures

- Advertisement -

নতুন নতুন স্মার্টফোনগুলোতে Navigation Gestures আনার জন্য প্রায় সব স্মার্টফোন নিমার্তা কোম্পানিগুলো বেশ ইন্টারেস্ট দেখাচ্ছে। কারণ আইফোনে আমরা এই সুন্দর Navigation Gestures ফিচারটি ইতিমধ্যেই ব্যবহার করতে পারছি। কিন্তু এর দেখাদেখি অ্যান্ড্রয়েড কোম্পানিগুলোও তাদের ডিভাইসে Navigation Gestures ফিচারটি নিয়ে এসেছে। তবে তাই বলে অ্যান্ড্রয়েড Navigation Gestures য়ে কিন্তু আপনি আইফোনের মতো ভালো ফিচার বা ভালো স্বাদ পাবেন না। বিশেষ করে স্টক Navigation Gestures ফিচারে তো নয়ই! যেমন শাওমি তাদের MIUI 10 আপডেটে কিন্তু ফুল স্ক্রিণ Navigation Gestures ফিচারটি দিয়ে রেখেছে। কিন্তু অনেকেই রয়েছে এই সব স্টক Navigation Gestures ফিচারটি ভালো লাগেনি এবং অনেকের ডিভাইসে (পুরোনো মডেল) এখনো এই ফিচারটি আসেনি। আর সেখানেই আসে এই Fluid Navigation Gestures অ্যাপটি। অ্যান্ড্রয়েডের অন্যতম সেরা Navigation Gestures অ্যাপ হচ্ছে এটি। ডিফল্ট ভাবে ডিভাইসের নিচের দিকে স্লাইড আপ করলে হোমে চলে আসবেন, স্লাইড আপ এবং হোল্ড করলে মাল্টিটাস্কিং মেন্যু আসবে, স্ক্রিণের বাম দিকে স্লাইড আপ করলে Google Assistance চালু হবে, স্ক্রিণের ডান দিকে স্লাইপ আপ করলে উপরের নোটিফিকেশন প্যানেল আসবে এবং ডান দিকে স্লাইড আপ এবং হোল্ড করে কুইট সেটিংস চলে আসবে! এগুলো ছাড়াও শাওমির মতো বাম/ডান দিকে স্লাইড করে ব্যাকের কাজ করা যাবে। তাছাড়াও এর সবগুলো সেটিংসকে নিজের মতো করে কাস্টমাইজেশন করা যাবে! আর অ্যাপটির অধিকাংশ ফিচারগুলো আপনি ফ্রি ভার্সনে পেয়ে যাবেন।

Bouncer


যারা স্মার্টফোনের সিকুরিটি নিয়ে সবসময় সেন্সিটিভ থাকেন তাদের জন্য এই বাউন্সার অ্যাপটি বেশ কাজের হবে। অনেক সময় আমরা বিভিন্ন স্পেশাল অ্যাপ ব্যবহার করে থাকি যেগুলো আমাদের ডিভাইসের বিভিন্ন ধরণের পারমিশন ব্যবহার করে থাকে। যেমন আপনি যদি ফেসবুক স্টোরিজ ফিচারটি ব্যবহার করে চান তাহলে ফেসবুক অ্যাপকে আপনার ডিভাইসের Camera এবং Sound পারমিশন দিতে হবে। অনেকেই রয়েছেন যে ফেসবুককে এই ধরণের পারমিশন দিতে চান না। কিন্তু আপনি যখন পরবর্তীতে ফেসবুক স্টোরিজ ফিচারটি ব্যবহার করতে যান তখন ঠিকই ফেসবুক এই পারমিশনগুলো চাইবে। আর সেখানেই আসে এই বাউন্সার অ্যাপটি। এই Bouncer অ্যাপের কাজ হচ্ছে এই সকল অ্যাপসগুলোকে এইসকল পারমিশনগুলোকে “ক্ষণস্থায়ী” ভাবে দিয়ে রাখা। যেমন আপনি কেবল যখনই ফেসবুক স্টোরিজ ব্যবহার করবেন ঠিক তখনই ফেসবুককে আপনার ডিভাইসের ক্যামেরা এবং সাউন্ড ব্যবহারের পারমিশন দিয়ে রাখবেন। এছাড়াও বাউন্সার অ্যাপটিতে আপনি আপনার ডিভাইসের সকল অ্যাপসের সকল প্রকারের ব্যবহৃত পারমিশনগুলোকে দেখতে পারবেন এবং রিসেটও করতে পারবেন।

Adobe Premiere Rush CC

- Advertisement -

মোবাইল ইউটিউবারদের জন্য সেরা অ্যাপ হচ্ছে এটি। যারা যারা স্মার্টফোনে পাওয়ারফুল ভিডিও এডিটিং অ্যাপ খুঁজছেন তারা এই Adobe Premiere Rush CC অ্যাপটি অবশ্যই একবার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। অ্যাপটি দিয়ে আপনি ভিডিও এডিটিংয়ের প্রায় সব ধরণের কাজই করতে পারবেন। অ্যাপটি দিয়ে আপনি ভিডিও শ্যুট করতে পারবেন সেখানে পাবেন প্রোফেশনাল লেভেলের ভিডিও এডিটিং কনট্রোল, অ্যাপটি দিয়ে ভিডিও কালার ম্যানেজমেন্ট করতে পারবেন, ভিডিওর অডিওকে ডেডিকেটেড টুল দিয়ে এডিট করতে পারবেন, মোশন গ্রাফিক্স এড করতে পারবেন ইত্যাদি। উল্লেখ্য যে অ্যাপটি এখনো অ্যান্ড্রয়েডের জন্য আসেনি তবে ২০১৯ সালে এটা আসবে বলে জানা গিয়েছে।

Hyperion Launcher

২০১৮ সালে আমরা বেশ কয়েকটি সুন্দর সুন্দর লঞ্চার অ্যাপ দেখেছি। এদের মধ্যে রয়েছে Niagara Launcher, Rootless Launcher, Lean Launcher সহ আরো অনেক। কিন্তু এদের মধ্যে নতুন হিসেবে সেরা লঞ্চার হচ্ছে Hyperion Launcher। এতে আপনি পাবেন স্টক অ্যান্ড্রয়েড থিম এবং লঞ্চারটির বেশ অনেককিছুই নিজের মতো করে কাস্টমাইজেশন করে নেওয়া যায়। আলাদা করে গুগল ফিড ডাউনলোডের অপশন করে এতে, এছাড়াও নিজস্ব থিম, আইকন এবং ফ্রন্ট প্যাকসগুলোকেও আপনি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

Alarmy!

- Advertisement -

নাম শুনেই বুঝতে পারছেন যে এটা একটি এলার্ম অ্যাপ। আর অ্যান্ড্রয়েডে আলাদা করে কেন আপনি এলার্ম অ্যাপ ইন্সটল করবেন যখন অ্যান্ড্রয়েডে বিল্ট ইন ভাবেই এলার্ম দেওয়া থাকে? এলার্ম যখনই সেট করা থাকুক না কেন আমরা সবসময়ই এলার্মকে স্কিপ করে যাবার চেষ্টা করে থাকি, বিশেষ করে সকাল বেলার এলার্মগুলোকে। আর Alarmy দিয়ে এলার্ম সেট করা থাকলে আপনি সহজেই এলার্মকে বন্ধ করে পারবেন না। এলার্মকে বন্ধ করে হলে আপনাকে ইউনিকভাবে বিভিন্ন টাস্কের মাধ্যমে এলার্মকে স্টপ করতে হবে। যেমন অ্যাপটিতে রয়েছে ফটো মোড যেটার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট রেজিস্টার প্লেসের ছবি তুলেই তারপর এলার্মকে বন্ধ করতে পারবেন। উল্লেখ্য যে অ্যাপটিকে “The Most Annoying App” হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করা হয়েছে। এই অ্যাপটি ব্যবহার করলে আমি ১০০% ভাবে বলতে পারি যে আপনি আর কখনোই ভোরের এলার্মকে মিস করবেন না।

 

- Advertisement -

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here